Vomor Kabe Modhu 02

অন্যদিকে বৈঠকখানায় মেহমুদ সাবিত্রীকে পেছন থেকে গিলতে গিলতে ঢুকেই আস্তে করে দরজাখানা বন্ধ করে দিলেন। সাবিত্রী বুঝতেই পারলো না যে সে এখন একটা ভিনদেশী পুরুষের সাথে একঘরে দরজাবন্দি হয়ে রয়েছে। মেহমুদ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সাবিত্রীর কাজকর্ম করার তালে তালে শরীরের নড়াচড়া দেখছিলেন। সাবিত্রীর নগ্ন পৃষ্ঠদেশ, পাতলা কাপড়ের তলায় থাকা তানপুরা সদৃশ পাছাখানা দেখতে থাকেন, হঠাৎ সাবিত্রী হাত তুলতেই তাঁর রেশমী কুচকুচে কালো কেশবিশিষ্ট বগলতলা মেহমুদের চোখে পড়তেই মেহমুদের মাথা যেন ঝিমঝিম করে উঠে।
নারীদেহে বগলতলা হচ্ছে মেহমুদের কাছে সবচেয়ে প্রিয় স্থান। কি যে টান ওই জায়গার মেহমুদ চোখ ফেরাতে পারেন না।

সাবিত্রী হঠাত ফিরে তাকায় মেহমুদের দিকে।
লোকটি তাঁর থেকে বড়জোড় দুই হাত দূরে দাঁড়িয়ে কামাতুর চোখে তাঁকে গিলছে। বিবাহিত নারীরা এই চাউনি চেনে।
চোখে চোখ পড়তেই সাবিত্রী চোখ নামিয়ে নিলো। চাইতে পারছে না ওই চোখের দিকে।
শয্যা ততক্ষণে তৈরি হয়ে গেছে, তাই সাবিত্রী মেহমুদকে পাশ কাটিয়ে ঘরখানা থেকে বের হয়ে যেতে চাইলে মেহমুদ দ্রুত তাঁর পেছু নেয়, সাবিত্রী দেখে দরজা বন্ধ। এমনসময় সাড়ে ছ ফুটের বিশাল দেহযুক্ত কালো চেহারার লম্বা দাড়িওয়ালা লোকটি যে তাঁকে পিছন থেকে জাপ্টে ধরেছে সেটা উপলব্ধি করতে পারে।
এইদিকে সরিতাদেবী লর্ডের বাহুবন্ধনে বন্দি হয়ে পড়েছেন। লর্ড তাঁর পিপাসার্ত ঠোঁট চেপে ধরেছেন সরিতাদেবীর লাল ভেজা ভেজা ঠোঁটে। জীবনের প্রথম ঠোঁটে চুম্বনের অভিজ্ঞতা সরিতাদেবীর, কারণ ব্রজবাবু এই কর্ম কোনওদিন করেন নি, হয়তো বা এইরকম চুম্বন যে করা যায় তা তিনি জানেনও না। যেমনটা আজ জীবনের প্রথম সরিতাদেবী উপলব্ধি করছেন।
লর্ড আস্তে আস্তে ঠোঁট চুষতে আরম্ভ করলেন। সরিতাদেবী ঠোঁটে অল্প অল্প জ্বালা অনুভব করলেন, কিন্তু এই জ্বালা শরীরে যে উত্তেজনা এনে দিচ্ছে তা তিনি কক্ষনো হারাতে চান না। চলতেই থাকলো চোষণপর্ব।
অন্যদিকে মেহমুদের প্রবল শক্তির কাছে সাবিত্রী বশ মেনে নিয়েছে। সে বুঝে গেছে এই লৌহ পুরুষের হাত থেকে আজ তাঁর রেহাই নেই। যতক্ষণ না এই পুরুষ তাঁকে ছিঁড়েখুঁড়ে খেয়ে ছিবড়ে করে না ছাড়বে সে পালাতে পারবে না এর কবল থেকে। সাবিত্রী হাল ছেড়ে মাথা এলিয়ে দিয়েছে মেহমুদের বুকে।
মেহমুদ খুশী হলেন সাবিত্রীর আত্মসমর্পণে, সাবিত্রীকে পেছন থেকে জাপ্টে রয়েছেন তিনি। কাপড়ের উপর দিয়েই সাবিত্রীর পাছায় তাঁর লিঙ্গ চেপে ধরে সাবিত্রীর দুইহাত উপরে তুলে তাঁর নিজের গলায় ধরিয়ে দিলেন, ফলে দুই বগল উন্মুক্ত হোলো। আর কি চাই একহাতে কোমড় জড়িয়ে অন্য হাতে দুই বগল পালাক্রমে হাতাতে লাগলেন। ঘামে ভেজা উষ্ণ বগলের ঘন কেশ মেহমুদকে যেন পাগল করে দিচ্ছে। কখনো মুঠি করে ধরছেন, কখনো চেপে দেখছেন। কি করবেন যেন ভেবে পাচ্ছেন না।
অন্যকক্ষে সরিতাদেবী আর লর্ডের লাগাতার চোষণপর্ব চলছে। এ যেন হার জিতের লড়াই, কে কাকে আগে পরাস্ত করতে পারে। সরিতাদেবীও লর্ডের সদ্য শেখানো এই খেলায় কখন যেন নিপুণতার অধিকারিণী হয়ে গেছেন। লর্ড দুহাতে সরিতাদেবীর মুখখানা ধরে আছেন, আর চুষে চলেছেন রসালো ঠোঁটদুটি। লর্ড আস্তে আস্তে নিজের জীভখানি সরিতাদেবীর উষ্ণ মুখগহ্বরে ঠেলে ঢোকাতে লাগলেন। ঠোঁট চোষার থেকেও মজা লাগলো নতুন এই খেলা সরিতাদেবীর কাছে। উনি লর্ডের লালাভেজা জীভখানা চুষে খেতে লাগলেন। চপ, চ্যাপ, চুপ, চুষ ধরণের নানা ভেজা শব্দ ঘরটাতে কামনার হাওয়ায় পরিপূর্ণ করতে লাগলো। অনেকক্ষণ লর্ডের লালা খেয়ে সরিতাদেবী এবার নিজের জীভটা লর্ডের মুখে ঠেলে দিলেন, এইবার আর পায় কে? লর্ড সরিতাদেবীর লালাযুক্ত জীভখানা চোঁ চোঁ করে চোষে চললেন। লর্ডের এই আগ্রাসী চুম্বন ও চোষণে সরিতাদেবী নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট পেলেও কোনোও বাধা তো দূর, নড়াচড়াও বন্ধ করে দিয়েছেন। লর্ডের কাছে সরিতাদেবীর মুখের লালা যেন এক অতিব সুস্বাদু খাদ্য, পেটভরে খেতে লাগলেন এই খাদ্য, যতক্ষণ না শেষ হয়।
এইদিকে বৈঠকখানায় মেহমুদের হাতে সাবিত্রী নিজেকে সম্পূর্ণ তুলে দিয়েছে, এছাড়া তাঁর কাছে আর কোনোও রাস্তাও ছিলো না। সাড়ে ছ ফুটের এই দৈত্য আকৃতির পুরুষটির কাছে সে নিত্যান্ত এক খেলার পুতুল ছাড়া আর কিছুই নয়। অগত্যা তাঁর দয়ার কাছে নিজেকে সঁপে দেওয়াই চালাকির কাজ।
নরম নারীদেহের মাংসের ছোঁয়া মেহমুদের লৌহ কাঠিন্যতাকে আরোও আরোও কঠিন করে তুলছিলো। তাঁর হাত তখন সাবিত্রীর সাদা শাড়ীর নীচে ঢুকে তুলতুলে নরম ও ঈষৎ ঝোলা অব্যবহৃত স্তন দুখানি চেপে ধরেছে। সাবিত্রীর নরম পাছায় তাঁর অশ্বলিঙ্গখানা চেপে ঘষতে যে কি আরাম পাচ্ছিলেন তা অবর্ণনীয়। কিছুক্ষণ এই ভাবে আরাম নিয়ে সাবিত্রীকে পুতুলের মতো তুলে শয্যার উদ্দেশ্যে নিয়ে চললেন। সাবিত্রী ভয়ে টু শব্দটিও করছে না। শয্যায় তাঁকে শুইয়ে সাবিত্রীর উপরে ঝুকে তাঁকে দেখতে লাগলেন মেহমুদ খাঁ।
সরিতাদেবী এখন লর্ডের আগ্রাসী চুম্বন থেকে মুক্তি চাইছিলেন, কারণ তাঁর নিঃশ্বাস নিতে হবে, দম ফুরিয়ে আসছে। তিনি ছটফট করতে শুরু করলে লর্ড বাধ্য হয়ে তাঁকে মুক্ত করে দিলেন। সরিতাদেবী যেন বাঁচলেন, প্রাণভরে নিঃশ্বাস নিতে তাঁর নাকের পাটা ফোলে ফোলে উঠতে লাগলো, কিন্তু চোখ দুটি তখনো লজ্জায় বন্ধ। লর্ড এই মনোহরণকারী দৃশ্য দারুণভাবে উপভোগ করছিলেন।
সরিতাদেবী অবশেষে চোখ খুলতেই তাঁর সম্মুখে দুখানি নীল সাগরের মতো গভীর দৃষ্টিযুক্ত লর্ডের চোখ জোড়ার দিকে চেয়ে সম্মোহিত হয়ে পড়েন। তিনি কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে চেয়েই রইলেন সেই অপরূপ দুটি নীল চোখের দিকে।
লর্ড ধীরে ধীরে সরিতাদেবীকে ধরে শুইয়ে দিলেন শয্যায়, আর তাঁর উপর ঝুঁকে তাঁর জীবনের দেখা সেরা সুন্দরীর রূপসুধা চোখ দিয়ে পান করতে লাগলেন।
ব্রজবাবুদেরকে দেখে চৌধুরী পরিবার যেন চরম বিপদে তাঁদের একমাত্র পরমাত্মীয়দেরকে খুঁজে পায়।
চৌধুরীবাবুর একমাত্র স্ত্রী কাঞ্চনদেবী একছুটে এসে আরতিদেবীকে জড়িয়ে হাউ হাউ করে কাঁদতে লাগলেন।
ব্রজবাবু এই হৃদয়বিদারক দৃশ্য সহ্য করতে না পেরে নায়েবমশাইকে ইশারায় ডেকে অতিথিশালার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন, সাথে চললো চৌধুরীবাবুর বিশ্বস্ত পুরাতন ভৃত্য কানাই।
অতিথিশালায় সমস্ত মালপত্র নামিয়ে সিপাহী ও টাঙ্গাচালকদের তাঁদের নির্দিষ্ট কক্ষে চলে যেতে আদেশ করলেন ব্রজবাবু, কানাই তাঁদের দেখিয়ে দিতে গেলো। আর নায়েবমশাইকে নিয়ে ব্রজবাবু শলা পরামর্শ করতে বসলেন, কি ভাবে কি করা যায়।
রাতের খাবার খাওয়ার পর কাঞ্চনদেবী ব্রজবাবুকে অনুরোধ করলেন উনি যাতে আরতিদেবীকে আজ রাতে তাঁর সাথে থাকতে বলেন।
ব্রজবাবু উৎফুল্ল হয়ে বললেন – এইজন্যেই তো আরতি আমার সাথে নিজে যেচে এসেছে। ও খুব খুশী হবে বউ ঠাকরুন। কি বলো আরতি?
আরতিদেবী মুখভার করে কাঞ্চনদেবীর উদ্দেশ্যে বললেন – এই ছোট্ট একটা কথা দিদি তুমি এতো সঙ্কোচে বলছো তাও উনার মারফতে। আমাকে এতো পর ভাবো কেনো? আমি কি তোমার ছোট বোন নই।
কাঞ্চনদেবী ছুটে এসে অভিমানী আরতিদেবীকে জড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে বললেন – এখন থেকে তো তোরাই আমার সব রে পাগলী ননদ বোন আমার।
দুজন দুজনকে জড়িয়ে কাঁদলেন কিছুক্ষণ। ব্রজবাবু বললেন – বউ ঠাকরুন আমি যাই তা হলে শুতে।
কাঞ্চনদেবী মৃদু হেঁসে সম্মতিসূচক ভাবে মাথা দোলালেন।
একটা বিরাট কক্ষে তাঁর শয্যা তৈরি করা হয়েছে, কানাই বললো যে সে পাশের ঘরে থাকবে, রাতে যদি ব্রজবাবুর কিছু দরকার হয়, তিনি যেন তাঁকে নিঃসঙ্কোচে ডাক দেন। ব্রজবাবু হ্যাঁ সুচক ভাবে ঘাড় নাড়লেন, কানাই দরজা ভেজিয়ে দিয়ে চলে যায়।
তারপর আরামদায়ক শয্যায় গা এলিয়ে দিয়ে ভাবতে লাগলেন চৌধুরীবাবু আর তাঁর অতীতের স্মৃতিগুলো, কতোবার দুজনে সামান্য একটুকরো জমি নিয়ে কিই না করেছেন, আবার কিছুদিন পরই কোনোও উৎসবে একসাথে কতো আনন্দই না করেছেন।
সত্যিই এই পৃথিবীতে সব সম্পর্ক কি বিচিত্র,
একদিকে শত্রু, তো আরেকদিকে পরম মিত্র।
মিত্র ভাবতেই হটাত তাঁর মনে পড়লো তাঁর অতিথিদের কথা। কি করছে ওরা মানে লর্ড সাহেব ও মেহমুদভাই।
মেহমুদ সাবিত্রীকে দেখতে দেখতে চরম ভাবে উত্তেজিত হয়ে উঠেন। সাবিত্রী তো চোখ বন্ধ করে পড়েই আছে মৃতদেহের মতো, নড়াচড়া নেই, শুধু গভীর ভাবে শ্বাস নিয়ে তাঁর জীবিত থাকার প্রমাণ দিচ্ছে।
মেহমুদ উঠে বসে নিজেকে সম্পূর্ণ নির্বস্ত্র করলেন। উনার অশ্বলিঙ্গ কাপড় থেকে মুক্তির আনন্দে নাচতে লাগলো ও মুখ থেকে মদনরস নামক লালা ঝরাতে থাকলো।
মেহমুদ সাবিত্রীর সাদা শাড়ী টেনে টেনে খুলতে শুরু করলেন, যখন কোমড়ের গিঁটে টান পড়লো সাবিত্রী চমকে উঠলো। আর মেহমুদের শক্ত বলিষ্ঠ হাতখানা দৃঢ় ভাবে দুই হাতে আঁকড়ে রইলো। ধীরে ধীরে সাবিত্রী চোখ খুলে সামনে মেহমুদের নগ্ন লোমশ চওড়া বলিষ্ঠ ছাতি দেখে মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকলো, আর ভাবতে লাগলো কি যাদু আছে এই লম্বা দাড়িওয়ালা কালো বর্ণের শক্ত পুরুষটার মধ্যে, যে সে যত দেখছে আকর্ষিত হয়ে পড়ছে।
এইদিকে মেহমুদ সাবিত্রীর বাধা দেওয়ায় হাত স্বস্থানে রেখে ঝুঁকে পড়ে সাবিত্রীর নরম বুকের গোলাকার স্তন দুটিকে প্রাণভরে দেখতে লাগলেন। অপরূপ স্তনবৃন্ত দুটি তেল চকচকে বড় তামার চাকতির ন্যায়, তার মাঝে একটু ফোলে থাকা এক কিশমিশ। সেই কিশমিশ দুই ঠোঁটের ফাঁকে ভরে প্রথমে আস্তে ও পরে জোরে জোরে চোষে চললেন মেহমুদ।
এইদিকে আরতিদেবীর ব্যক্তিগত পরিচারিকা সারদা নিজ কক্ষে বিনিদ্র অবস্থায় পড়ে আছে। তাঁর মন বলছে আজ কিছু একটা উল্টোপাল্টা চলছে এই জমিদার বাড়ীর দালানে। সেই ইংরেজ সাহেবটা তো তাঁর পাঠান শেখ বন্ধুটাকে নিয়ে এই দালানেই শুয়ে রয়েছে যে দালানে সেও শুয়ে রয়েছে। তাঁর মন উসখুস করছে, নিদ্রাদেবী চোখ থেকে শত যোজন দূরে। মনে হল অল্প জল খেলে ভালো হয়। কিন্তু জলের পাত্র দেখলো আগেই খেয়ে খেয়ে প্রায় খালি করে ফেলেছে। জল আনতে তাঁকে রান্নাঘরে যেতে হবে। কি আর করা যাবে, আনতে তো হবেই।
এইদিকে লর্ড সরিতাদেবীর সৌন্দর্যে অভিভূত হয়ে পড়েন। এই দুনিয়ার একটি অত্যন্ত আশ্চর্যজনক ব্যাপার হচ্ছে সাদার প্রতি কালোর টান আর কালোর প্রতি সাদার টান, নারীর প্রতি পুরুষের টান আর পুরুষের প্রতি নারীর টান, এইঘরে সেই আশ্চর্যই পরিলক্ষিত হচ্ছে দুজনের চাহনিতে। সরিতাদেবীর শ্যামলা ত্বক যেমন লর্ডের মন ও নয়নকে আরাম দিচ্ছে তেমনি লর্ডের টকটকে ফর্সা ও পুরুষালী চেহারা সরিতাদেবীর মনকেও তাঁর প্রতি অত্যন্ত আকর্ষিত করছে।
এইভাবেই একজন আরেকজনকে বেশ কিছুক্ষণ দেখেই চললেন। এইবার লর্ডের হাত বেসামাল হতে আরম্ভ করলো, সরিতাদেবীর শাড়ীর আঁচল কাঁধ থেকে সরিয়ে একপাশে রেখে তাঁর লাল টকটকে জামার বাঁধন খুলতে চেষ্টা করতে লাগলো। কিন্তু সেই সুযোগে যে নরম অনুভূতি তাঁর হলো এর চেয়ে আরামদায়ক এই দুনিয়ায় আর কিছু আছে বলে মনে হয় না।
লর্ড সরিতাদেবীর এই লাল জামার নীচে থাকা সেই আরামদায়ক নরম জিনিসটাকে দেখার জন্যে উদগ্রীব হয়ে উঠলেন। ঠিক কমলার খোসা ছাড়ানোর মতো করে লাল জামাটাকে আস্তে আস্তে করে সরিয়ে দিতেই যে দুইটা কমলা দেখতে পেলেন তা দেখেই তিনি নিজেকে অত্যন্ত পিপাসার্ত বোধ করলেন। দুই হাতে দুটি কমলাকে মুঠিবদ্ধ করে টিপে টিপে রস বের করতে না পেরে মুখ লাগিয়ে চুষে চললেন।
মেহমুদ পালাক্রমে সাবিত্রীর দুটি স্তনকে চুষে টিপে লাল করে ফেলেছেন। এতেও তাঁর সাধ না মেটায় সেই কিশমিশ দুটিতে মৃদু মৃদু দংশন করতে লাগলেন, ফলে তাঁর লম্বা দাঁড়ির স্পর্শ সাবিত্রীর স্তনে এক আলাদা অনুভূতি দিচ্ছিলো। সাবিত্রী আর পারছে না এই সুখ সহ্য করতে, সে মেহমুদের হাত ছেড়ে দিয়ে দুই হাতে মেহমুদের মাথা ধরে তাঁর বুকে আরোও জোরে চেপে ধরে রইলো। মেহমুদের এখন সাবিত্রীকে নিরাবরণ করতে আর বাধা নেই। মেহমুদ একটানে সাবিত্রীর সাদা শাড়ী থেকে সাবিত্রীকে পৃথক করে দিলেন।
একঘরে একই শয্যায় দুটি আদিম মানব মানবী আদিমতম খেলায় ব্যস্ত।
সারদা অন্ধকারে হাতড়ে হাতড়ে রান্নাঘরের উদ্দেশ্যে চলছিলো। হঠাত কি এক কৌতূহলে সে ব্রজবাবুর শয়নকক্ষের দিকে এগিয়ে চললো। কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। দরজায় কান পেতে সে ভেতরের কোনোও আওয়াজ শোনার চেষ্টা করতে লাগলো। ছন ছন, টুং টাং করে চুড়ির শব্দে তাঁর চোখ বড় হয়ে গেলো। চুড়ির শব্দ এইঘরে কি করে হচ্ছে। এই ঘরে তো দুটি পুরুষ মানুষ রয়েছে। তবে কি সাবিত্রীদি? না না সাবিত্রীদি তো তাঁর মতোই বিধবা, সে তো কোনোও অলঙ্কার পরে না। আর কে হতে পারে? বাইরের কেউ তো এই দালানে প্রবেশ করতেই পারবেই না।
তবে কি বড় মালকিন?
একটা ঠাণ্ডা শিরশিরানি তাঁর মেরুদণ্ড হয়ে বয়ে যায়, সে প্রচণ্ড ভাবে কাঁপতে আরম্ভ করে। আর না দাঁড়িয়ে কোনোওরকমে নিজেকে টেনে টেনে তাঁর কক্ষে নিয়ে যায়।
শয্যায় গা এলিয়ে সে নিজেকে কিছুটা নিরাপদ ভাবতে তাঁর কম্পন থেমে যায়। কিন্তু মাথা থেকে সেই চিন্তা কিছুতেই সরাতে পারছে না। কে সেই নারী? যার চুড়ির শব্দ ব্রজবাবুর ঘরে থাকা ইংরেজটার ওখান থেকে ভেসে ভেসে আসছিলো।
এই দালানবাড়ীতে সে নিজে, সাবিত্রীদি ও বড় মালকিন ছাড়া আজ রাতে তো আর অন্য কোনোও মহিলা ছিলো না। আর সে একফোঁটা ঘুমায়ও নি, যে বাইরে থেকে কেউ এলে সে জানতো না।
মেহমুদ এইবার নারীদেহের সেই আসল গুপ্তধনের খোঁজ শুরু করলেন। তাঁতে প্রথমে তাঁর চোখে পড়ল সেই নারীর তলদেশে থাকা ত্রিভুজাকৃতির কালো ঘন জঙ্গলটা, বেশ ঘন এই জঙ্গলে গুপ্তধনের সঠিক হদিশ খুঁজতে তাঁকে বেশ অসুবিধায় পড়তে হবে বলে মনে হচ্ছে।
মেহমুদের ডান হাত তলদেশের জঙ্গলে গুপ্তধন খুঁজে চলছে অবিরাম, আর বাম হাত বক্ষদেশের পাহাড় দুটিতে পালাক্রমে খেলা করে চলছে।
অবশেষে ডান হাত একটা ভেজা ভেজা গুহা খুঁজে পায়, সেই ডান হাতে থাকা তর্জনী নামক একটা বদসাহসী আঙ্গুল অতি উৎসাহভরে প্রথমে সেই ভেজা গুহায় আস্তে আস্তে প্রবেশ করতে থাকে। কিন্তু সেই পথ অত্যন্ত সংকীর্ণতার ফলে তাঁর প্রবেশ করতে বেশ অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। কিন্তু পথ পিচ্ছিল থাকায় সে ঠেলেঠুলে অগ্রসর হতে থাকে।
অন্যদিকে লর্ড সরিতাদেবীর পরিধেয় সমস্ত বস্ত্রহরণ করে, নিজের শরীরে জড়িয়ে থাকা সমস্ত পরিধান থেকে মুক্ত হতে আরম্ভ করলেন।
সরিতাদেবী লন্ঠনের আবছা আলোয় লর্ডের উন্মুক্ত শিশ্নখানা দর্শনে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন, এযাবৎ তাঁর দেখা একমাত্র পুরুষাঙ্গ (ব্রজবাবুর লিঙ্গ) এর তুলনায় একটা শিশু। কি প্রচণ্ড এর আকার, কিন্তু চেহারাটা বেশ সুন্দর। লিঙ্গমুণ্ড চামড়াহীন ও লাল টকটকে, ফর্শা লিঙ্গের গোঁড়ায় থাকা বাদামী বাদামী কেশ ইহার সৌন্দর্য আরোও বৃদ্ধি করেছে।
সরিতাদেবীকে তাঁর লিঙ্গের দিকে নির্লজ্জের মতো তাকিয়ে থাকতে দেখে লর্ড অত্যন্ত আনন্দিত হলেন।
লর্ড তাঁর উত্থিত লিঙ্গসহ সরিতাদেবীর পাশে এসে বসলেন।
আঙ্গুলের খোঁচাখুঁচিতে সাবিত্রী কেঁপে কেঁপে উঠতে লাগলো। সুদীর্ঘ তের চৌদ্দ বছর ধরে তাঁর এই স্পর্শকাতর অঙ্গ অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে, আর আজ হঠাত এক অজানা অচেনা পুরুষের হাতের স্পর্শে সে নিজেকে সংযত রাখতে পারছে না, ধনুকের ছিলার ন্যায় তাঁর দেহ বেঁকে গেছে এই স্পর্শ থেকে রেহাই পেতে।
কিন্তু মরিয়া মেহমুদের তাঁকে রেহাই দেবার কোনোও ইচ্ছেই নেই, জোর করে তাঁর তর্জনী বার বার ভেতর বার করে চলছেন, আর সাবিত্রীকে ঠেকাতে তাঁর ভারী শরীরটা সাবিত্রীর ছোট্ট নরম শরীরটার উপর তুলে দিয়ে সাবিত্রীর কোমল ঠোঁটে তাঁর ঠোঁট চেপে ধরলেন।
সাবিত্রী নিরুপায় হয়ে মেহমুদের অত্যাচার সইতে থাকে। কিন্তু তাঁর যোনি চরম উত্তেজনায় রাগরস ছাড়তে শুরু করে, ফলে মেহমুদের আঙ্গুলচালনা সহজ হতে থাকে। এইবার মেহমুদ তর্জনীর সাথে তাঁর মধ্যমাও সাবিত্রীর যোনিতে প্রবেশ করাতে চেষ্টা করলেন, কিন্তু তাঁর মোটা মোটা দুই আঙ্গুল কি করে এই ছোট্ট ফুটোয় ঢুকবে?
সাবিত্রী এইবার যন্ত্রণায় কুঁকড়ে গেলো। মেহমুদের ঠোঁটবন্দি থাকায় তাঁর মুখ থেকে সে কোনোও আওয়াজ বের করতে পারছে না, অথচ তাঁর অবাধ্য হাত দুটি মেহমুদের নগ্ন পিঠে ঘোরাফেরা করছে।
অবশেষে মেহমুদ জয়ী হলেন, কিছুক্ষণ দুই আঙ্গুল দিয়ে সাবিত্রীর যোনিপথ প্রশস্ত করার পর তিনি উঠে তাঁর অশ্বলিঙ্গখানা সাবিত্রীর মুখের সামনে তুলে ধরেন।
সাবিত্রী অবাক হয়ে সেই বীভৎস আকারের অদ্ভুত লিঙ্গখানা দেখতে থাকে। কালো কুচকুচে লিঙ্গের মুন্ডির উপর কোনোও ছাল নেই, এর সমস্ত শরীরে শিরা উপশিরা গুলি এটাকে আরোও বীভৎস করে তুলেছে। লিঙ্গের গোঁড়ায় কালো ঘন কেশের ভেতর থেকে বড় অণ্ডকোষ দেখা যাচ্ছে। লিঙ্গের মুখে থাকা ফুটো থেকে মদনরস বেরুচ্ছে।
লর্ড তাঁর ডান হাত সরিতাদেবীর কালো পশমের ন্যায় হাল্কা যোনিকেশের উপর রাখতেই সরিতাদেবীর সমস্ত শরীরে যেন বিদ্যুৎ তরঙ্গ বয়ে যায়, আর তাঁর মুখ থেকে আপনাআপনি বের হয়ে আসে অস্ফুট একটি উম্মম জাতীয় শব্দ।
লর্ড সরিতাদেবীর উপর ঝুঁকে পড়ে পুনরায় তাঁর ঠোঁট চোষণ প্রক্রিয়া চালু করে দেন। সরিতাদেবীও তাঁর ঠোঁট ফাঁক করে জিভখানা ভরে দেন লর্ডের মুখের ভেতর।
লর্ড কিছুক্ষণ সরিতাদেবীর যোনি উপর থেকে চটকে টিপে তাঁর মধ্যমাকে যোনির আঁটসাঁট কিন্তু রসে পিচ্ছিল অভ্যন্তরে প্রবেশ করাতে থাকেন। এইবার সরিতাদেবীও কোমর তোলে তোলে লর্ডকে আঙ্গুলিচালনায় সাহায্য করতে থাকেন। লর্ড আঙ্গুলিচালনা করার সাথে সাথে তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দিয়ে সরিতাদেবীর কোটটা নাড়িয়ে নাড়িয়ে তাঁকে উত্তেজিত করতে থাকেন।
সরিতাদেবী উত্তেজনায় যেন পাগল হয়ে যাচ্ছেন, তাঁর নিঃশ্বাস ঘন হয়ে এলো, দুইহাতে লর্ডের মাথা চুলসহ মুঠি করে ধরে লর্ডের জিভখানা প্রাণপণে চোষতে থাকেন।
লর্ড বুঝতে পারলেন সরিতাদেবী চরম উত্তেজনায়, তাই এই সুযোগে তাঁর প্রধান হাতিয়ার দশ ইঞ্চি লম্বা আর চার ইঞ্চি ঘেরের বিশালাকারের লিঙ্গখানাকে চুষিয়ে শান দেওয়া উচিত।
তিনি সরিতাদেবীর উপর থেকে উঠে হাটু গেঁড়ে, তাঁর ক্রোধে ফুঁসতে থাকা লিঙ্গখানা সরিতাদেবীর ঠোঁটের উপর রাখলেন।
সরিতাদেবী কিছু না বুঝে চোখ তুলে লর্ডের মুখে তাকালেন।
মেহমুদ সাবিত্রীকে মুখ খুলতে বললেন কিন্তু সাবিত্রী কিছু না বুঝে তাঁর মুখের দিকে অবাক হয়ে চেয়ে রইলো।
মেহমুদ পুনরায় তাঁকে মুখ খুলতে বললেন, সাবিত্রী ভয়ে ভয়ে মুখ খুললো আর মেহমুদ তাঁর বারো ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ও ছয় ইঞ্চি প্রস্থের কুচকুচে কালো বীভৎস লিঙ্গের ছালহীন মুণ্ডিখানা সাবিত্রীর মুখে ঠেলে ঢুকিয়ে দিলেন।
সাবিত্রী এই অতর্কিত আক্রমণের কোনোও প্রতিরোধই করতে পারলো না।
মেহমুদ সাবিত্রীর মুখের ভেতরে তাঁর লিঙ্গকে আরোও বেশি করে ঢোকাতে চাইছেন কিন্তু সাবিত্রীর ছোট মুখগহ্বরে তাঁর লিঙ্গমুণ্ডিই কোনোওমতে জায়গা পেলো।
সাবিত্রীর মুখ অতিরিক্ত পরিমাণে হাঁ হওয়ায় চোয়ালে ব্যথা করতে আরম্ভ হোলো, সাবিত্রীর মুখে স্পষ্ট কষ্টের ছাপ।
সাবিত্রীর এই খারাপ অবস্থা দেখেও মেহমুদ তাঁকে এই কষ্টকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি দিলেন না। আসলে নারীদেহ ভোগ করার সময় তিনি কোনোও ধরনের আপোষ বা সমঝোতাকে মূর্খের কাজ মনে করেন।
মেহমুদের এই পাশবিক প্রবৃত্তি তাঁকে আরোও কামোত্তেজিত করে তোলে।
সাবিত্রীর চোখ দুটি জবাফুলের ন্যায় লাল হয়ে আছে আর মণি দুটি যেন চোখের কোটর থেকে ঠেলে বেরিয়ে আসতে চাইছে। সাবিত্রীর গলার দুইদিকের রগ দুটি ভীষণভাবে ফুলে আছে।
একসময় মেহমুদ যখন বুঝতে পারলেন তাঁর প্রকাণ্ড লিঙ্গ এই ছোট্ট গহ্বরের আর ভেতরে ঢোকাতে পারবেন না, ক্ষান্ত দিলেন।
সাবিত্রী এই অপরিসীম কষ্ট থেকে রেহাই পেয়ে প্রাণভরে অতি দ্রুত জীবনবায়ু সংগ্রহ করতে থাকে।
লর্ড সরিতাদেবীকে অনুরোধের সুরে বললেন – প্লীজ সাক ইট বেবী (অনুগ্রহ করে এটাকে চোষে দিন)।
সরিতাদেবী জীবনেও পুরুষাঙ্গ চোষেন নি। কিন্তু লর্ডের অনুরোধ ও সুন্দর দর্শন এই লিঙ্গের কথা মাথায় রেখে নতুন এই অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে লিঙ্গ মুখে প্রথমে একটা ছোট্ট চুম্বন এঁকে দেন।
চুম্বন দিতে গিয়ে তাঁর ঠোঁটে লেগে যায় লর্ডের লিঙ্গ থেকে চুইয়ে বেরুতে থাকা মদনরস, জিভে লেগে তার লোনা স্বাদ সরিতাদেবীর উত্তেজনা বাড়ায়। নাকে আসে লিঙ্গ থেকে ভেসে আসা উৎকট একটা বোঁটকা পুরুষালী গন্ধ যা সরিতাদেবীর শরীরের প্রতিটি লোমকে দাঁড় করিয়ে দেয়। মনের অজান্তে নাক এগিয়ে লিঙ্গে ঠেকিয়ে প্রাণভরে এই ঘ্রাণ নিতে থাকেন।
লর্ড সরিতাদেবীর কার্যকলাপ দেখে আরোও উত্তেজিত হয়ে উঠে তাঁর লিঙ্গখানা কোমর এগিয়ে সরিতাদেবীর মুখে ঠেলতে থাকেন।
সরিতাদেবী তাঁর জিভ বের করে লিঙ্গমুণ্ডের ছিদ্র দিয়ে বেরুতে থাকা নোনতা স্বাদের সব মদনরস চেটে চুষে খেতে লাগলেন। তাঁর জিভের লালায় ভেজা বিশাল আকারের লাল টকটকে লিঙ্গমুণ্ডটাকে আস্তে আস্তে অনেক কসরতের পর পুরোটা মুখে পুরে চুষতে থাকেন।
মেহমুদ তাঁর লিঙ্গ সাবিত্রীর মুখ থেকে বের করে সাবিত্রীর পায়ের কাছে বসে পড়েন। তারপর নারীদেহের সেই মধুভাণ্ডের দিকে মুখ নামিয়ে আনলেন। আর তাঁর যোনিতে মুখ লাগাতেই সাবিত্রী একলাফে বসে পড়লো। মেহমুদ এইবার সাবিত্রীকে জোর করে শুইয়ে দিয়ে পুনরায় যোনিলেহন করতে থাকেন আর সাবিত্রী কাঁটা পাঁঠার মতো মাথা এদিক থেকে ওদিক করে ছটফট করতে থাকে। সাবিত্রীর যোনি প্রচুর রাগরস ছাড়তে থাকে, মেহমুদ সব রস চুষে খেয়ে পেট ভরতে লাগলেন। অনেক সময় ধরে এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে।
তারপর মেহমুদ সাবিত্রীর দুই পা দুইদিকে ছড়িয়ে মাঝখানে তাঁর কোমর এনে সাবিত্রীর বুকের উপর শুয়ে পড়লেন আর সাবিত্রীর ঠোঁটে নিজের ঠোঁট চেপে ডানহাতে তাঁর অশ্বলিঙ্গখানা ধরে সাবিত্রীর যোনিমুখে ঠেকিয়ে কোমর নামিয়ে চাপ দিলেন।
সাবিত্রী চোখমুখ কুঁচকে মেহমুদের চোখে চাওয়া ছাড়া আর কিছু করার মতো অবস্থায় ছিলো না।
মেহমুদের সাড়ে ছ ফুটের বিশাল দেহের তলায় সাবিত্রীর ছোট শরীরটা চেপ্টে রয়েছে, নড়াচড়া করারও ক্ষমতা নেই আর তাঁর মুখ মেহমুদের মুখে বন্দি ফলে কোনোও আওয়াজও বের করতে পারছে না। কষ্ট প্রকাশ করতে না পারায় তাঁর চোখ থেকে কয়েক ফোঁটা জল বের হয়ে এলো।
ওইদিকে মেহমুদ আপ্রাণ চেষ্টা করছেন সাবিত্রীর ভেতর ঢুকতে, কিন্তু তাঁর বিশালতার দরুন তিনি বাইরেই আঁটকে রইলেন।
মেহমুদ সাবিত্রীকে উত্তেজিত করার জন্যে জোরে জোরে তাঁর স্তনমর্দন করতে থাকেন আর ঠোঁট চুষে জিভ চুষে দফারফা করতে থাকেন।
অবশেষে শরীরের সমস্ত শক্তি একত্রিত করে জোরে এক ধাক্কায় তাঁর লিঙ্গের এক তৃতীয়াংশ সাবিত্রীর যোনিতে ঢুকাতে সক্ষম হলেন। ফট করে একটা শব্দ বের হোলো সাবিত্রীর যোনি থেকে, আর সাবিত্রী প্রচণ্ড ব্যথায় জ্ঞান হারালো।
লর্ড এইবার সরিতাদেবীর মুখে তাঁর লিঙ্গ রেখেই নীচু হয়ে সরিতাদেবীর যোনিতে মুখ লাগালেন। সরিতাদেবী কেঁপে উঠলেন তাঁর মুখ থেকে লর্ডের লিঙ্গ বের করে আঃ আঃ করে আরামসুচক শব্দ করতে লাগলেন। তারপর আবার লিঙ্গ মুখে ভরে চুষতে থাকেন।
এইভাবে বেশ কিছুসময় করার পর লর্ড উঠে সরিতাদেবীর দু পায়ের মাঝে তাঁর লিঙ্গ রেখে সরিতাদেবীর উপর শুয়ে পড়লেন। আর সরিতাদেবীর কানে মুখ লাগিয়ে ধীর গলায় বললেন – প্লীজ টেইক মি ইন ইউ (দয়া করে আমাকে আপনার ভেতরে নিন)।
সরিতাদেবী ডান হাত নীচে নামিয়ে লর্ডের লিঙ্গ ধরে তাঁর যোনিমুখে রাখতেই লর্ড কোমরের এক চাপে তাঁর লিঙ্গমুণ্ড সরিতাদেবীর যোনির অভ্যন্তরে চালান করে দিলেন।
সরিতাদেবীর মুখ থেকে উঃ করে একটা শব্দ বের হোলো। এতো বড় লিঙ্গ তাঁর যোনিকে যেন ফেড়ে ফেলতে চাইছে।
কিছুসময় চুপ থেকে লর্ড তাঁর কোমর হাল্কা হাল্কা উঠানামা করিয়ে ধীরে ধীরে সরিতাদেবীর যোনির ভেতরে তাঁর আখাম্বা লিঙ্গখানাকে ঠেলে দিতে লাগলেন।
এইদিকে অন্দরমহলে সারদা ভেবে পাচ্ছে না সে কি করবে। তাঁর মাথায় চিন্তা এলো একবার কি সে সাবিত্রীদি ও বড় মালকিনের শয়নকক্ষ দুটি নিজের চোখে পরখ করে আসবে?
এইসব ভাবতে ভাবতে সে একটা লন্ঠন জ্বালিয়ে প্রথমে বড় মালকিনের শয়নকক্ষের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়।
সে ঘরখানা বাইরে থেকে বন্ধ দেখে অতিশয় আশ্চর্যান্বিত হয়ে যায়। তবে কি বড় মালকিন ব্রজবাবুর শয়নকক্ষে সেই ইংরেজটার সাথে……….? এটা কি করে সম্ভব?
তাঁর মাথা ঝিমঝিম করতে থাকে, সে হেলেদুলে হেঁটে হেঁটে কি সব ভাবতে ভাবতে সাবিত্রীদির কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে।
এই কক্ষটিও বাইরে থেকে বন্ধ।
হায় ভগবান…….এরা কোথায়? আর কি করছে?
সে আর না দাঁড়িয়ে তাঁর কক্ষে পুনরায় চলে আসে। লন্ঠন নিভিয়ে দিয়ে শয্যায় গা এলিয়ে ভাবতে থাকে সে এই রহস্য ভেদ করে তবে ছাড়বে।
তাঁর বহুদিনের উপোষী যোনি মারাত্মক ভাবে কুটকুট করতে শুরু করে। সে তাঁর শাড়ীর উপর থেকেই মুঠো করে যোনিটাকে চেপে ধরে, তারপর আঙুল দিয়ে ঘষে ঘষে সান্ত্বনা দিতে থাকে।
তাঁর মন চলে যায় ব্রজবাবুর শয়নকক্ষে। জানি না কি চলছে ওইখানে?
কিছু বোঝার জন্যে সে পুনরায় সেখানে যাবার মনস্থির করে। দরজার সামনে আসতেই স্পষ্ট শুনতে পায় একটা নারীকন্ঠের আঃ আঃ উঃ উঃ ধরনের গোঙানি। তার সাথে ঝন ঝন টুং টাং করে চুড়ির শব্দ। সে কান পেতে রাখে আরোও কিছু শোনার আশায়।
মেহমুদের ভেতরের পশুটা জেগে উঠেছে। তাই তো অজ্ঞান সাবিত্রীর যোনিতে কোমর আছড়ে আছড়ে ফেলে তাঁর অশ্বলিঙ্গটাকে গোঁড়া অবধি সম্পূর্ণ ঢুকিয়ে আবার ডগা পর্যন্ত বের করেই আবার ঢোকানো, এই কাজ লাগাতার চালিয়ে যাচ্ছেন। সাবিত্রীর দুইবাহু মাথার উপরে তুলে দিয়ে তাঁর বাহুমুলে থাকা কালো ঘন কেশের ভেতর নাক ডুবিয়ে মেয়েলী ঘামের গন্ধ নিতে নিতে তিনি আরোও মারাত্মক ভাবে উত্তেজিত হয়ে উঠলেন, আর ঘৃণার কথা ভুলে জিভ দিয়ে সাবিত্রীর দুই বগল পাগলের মতো চাটতে লাগলেন। ঘামের নোনতা স্বাদ তাঁর খুব ভালো লাগছিলো বোধহয়, তাইতো সাবিত্রীর বগল দুটি তাঁর মুখের লালায় ভিজে জবজবে হয়ে গেলেও তিনি বগল চোষণ ও লেহন চালিয়ে গেলেন।
পুরো কক্ষময় শুধু থপ থপ, পকাত পক শব্দ গুঞ্জরিত হতে থাকলো।
সাবিত্রী জানতেই পারলো না যে মেহমুদ কি আয়েশ করে তাঁর দেহখানা ভোগ করে চলছেন। সে অজ্ঞান অবস্থায় পড়েই রইলো।
মেহমুদ লাগাতার প্রায় ত্রিশ পঁয়ত্রিশ মিনিট ধরে সাবিত্রীর যোনিমন্থন করতে থাকেন, সাথে খুব জোরে জোরে স্তনমর্দন ও বগল লেহন চালিয়ে গেলেন। অবশেষে সমাপ্তির কাল আসন্ন হোলো। মেহমুদ তাঁর লিঙ্গটাকে একদম গোঁড়া অবধি সাবিত্রীর যোনির ভেতরে ঠেলে ঢুকিয়ে জরায়ুর মধ্যে তাঁর বীর্য ঢালতে লাগলেন। শেষ হবার পর প্রচণ্ড ক্লান্তিতে মেহমুদ সেই অবস্থায়ই সাবিত্রীকে জড়িয়ে ধরে পড়ে রইলেন কিছুসময়।
তারপর উঠতেই তাঁর চোখ পড়লো সাবিত্রীর যোনির উপর, বীভৎসরকম ভাবে হাঁ করে রয়েছে আর ভেতর থেকে লাল রক্ত আর সাদা ঘন বীর্য মিশে চুইয়ে চুইয়ে বেরুচ্ছে।
মেহমুদ আনন্দিত হলেন।
লর্ড বহু সময় নিয়ে ধীরে ধীরে তাঁর সুবিশাল লিঙ্গখানা সরিতাদেবীর যোনির ভেতর সম্পূর্ণ প্রবেশ করাতে সক্ষম হলেন। কিন্তু তারপরও সরিতাদেবীর মুখ থেকে শেষের ধাক্কায় উঃ উঃ উক করে মৃদু একটা গোঙানির মতো আওয়াজ বের হোলো।
সরিতাদেবী যোনির ব্যথায় লর্ডের পিঠে নখ দাবিয়ে খামচে ধরে পড়ে রইলেন।
লর্ড সরিতাদেবীর কষ্ট বুঝতে পেরে একটু সময় দিলেন তাঁকে স্বাভাবিক হওয়ার, তিনি নড়াচড়া বন্ধ করে চুপচাপ সরিতাদেবীর উপরে পড়ে রইলেন।
লর্ড সরিতাদেবীকে চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দিচ্ছিলেন। কখনও কানে জিভ বুলিয়ে, কখনও গলায় নাক ঘষে ঠোঁট ঘষে ভীষণ আদর করতে থাকেন, একইসাথে তাঁর হাত স্তন দুটি নিয়ে খেলা করতে থাকে।
এইভাবে ধীরে ধীরে সরিতাদেবীর ব্যথার উপশম হতে হতে একসময় সরিতাদেবী নীচ থেকে তাঁর কোমর উপরে তোলা দিয়ে লর্ডকে সঙ্গমের জন্যে আহ্বান জানান।
লর্ড তো এরই প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছিলেন।
শুরু হোলো কোমরচালনা, পচ পচাত পক পকাত শব্দের ঢেউ ঘর ছাড়িয়ে দরজার বাইরে কান পেতে থাকা আরতিদেবীর ব্যক্তিগত পরিচারিকা সারদা অবধি স্পষ্টভাবে পৌঁছূতে থাকে।
মেহমুদ সাবিত্রীকে সেই নগ্ন অবস্থায়ই শয্যায় ফেলে রেখে উঠে দাঁড়ালেন। তখনই তাঁর মাথায় সরিতাদেবী আর লর্ড সাহেব কি করছেন এই চিন্তা ঘোরপাক খেতে থাকে।চিন্তা দূর করতে কোনোও পোশাক না পরেই সম্পূর্ণ নগ্নাবস্থায় তিনি নিঃশব্দে বৈঠকখানার দরজা খুলে ব্রজবাবুর শয়নকক্ষের দিকে অতি সন্তর্পণে অগ্রসর হলেন।
দরজার একদম নিকটে পৌঁছে আবছা অন্ধকারে একটা ছায়ামূর্তি দেখে মেহমুদ থমকে গেলেন।
কে এই ব্যক্তি? দরজার সামনে দাঁড়িয়ে কি করছে? এইসব প্রশ্ন তাঁর মনে অতিশয় কৌতূহল জাগায়।
তিনি ছায়ামূর্তির আরোও নিকটে পৌঁছে যা দেখলেন তাঁতে তাঁর তন বদন অতি আনন্দে নেচে উঠলো।
তিনি দেখলেন সাবিত্রীর মতোই সাদা শাড়ী পরিহিত এক কচি বয়সের মেয়েলোক দরজায় কান পেতে ওই কক্ষের ভেতর থেকে ভেসে আসা পচ পচাত, পক পকাত, ঝন ঝন, টুং টাং ধরনের নানা শব্দ শুনতে শুনতে তাঁর পাতলা শাড়ীর আবরনের উপর দিয়েই তাঁর এক হাত দুই পায়ের মাঝে ঢুকিয়ে যোনি ঘষে চলেছে।
সারদা কিন্তু জানতেই পারলো না যে মেহমুদ তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে তাঁর এইসব কীর্তিকলাপ দেখে যাচ্ছেন। সে তো ব্রজবাবুর শয়নকক্ষের ভেতর থেকে আসা শব্দগুলো কান পেতে শুনে যাচ্ছে আর কল্পনা করে চলেছে ভেতরে কী কী হচ্ছে, এতেই সে উত্তেজিত হয়ে তাঁর যোনি ঘষে ভেতরের কুটকুট কমাতে গিয়ে আরোও বেশি উত্তেজিত হতে থাকে।
মেহমুদ তাঁরিয়ে তাঁরিয়ে এই দৃশ্য উপভোগ করছিলেন, আর ভাবছিলেন এরপর তাঁর কি করণীয় আছে।
মেহমুদ আর কালবিলম্ব না করে অকস্মাৎ পেছন থেকে একহাতে সারদার মুখ চেপে অন্যহাতে কোমর জড়িয়ে হাল্কা ওজনের সারদাকে শূন্যে উঠিয়ে বৈঠকখানায় নিয়ে গিয়ে এক ধাক্কায় মেঝেতে ফেলে দিয়ে দরজায় খিল এঁটে বন্ধ করে দেন।
ঘটনার আকস্মিকতায় কিছুই বুঝতে না পেরে সারদা বৈঠকখানার মেঝেতে কিংকর্তব্যবিমুঢ় হয়ে পড়ে থাকে কিছুক্ষণ।
তারপর তাঁর চোখ পড়ে দরজায় দাঁড়িয়ে থাকা মেহমুদের নগ্ন শরীরে।
কালো কুচকুচে দৈত্যাকৃতি লম্বা দাড়িওয়ালা পুরুষের মুখ থেকে শুরু করে তাঁর নজর ধীরে ধীরে লোমশ চওড়া ছাতি হয়ে গিয়ে তলপেটে কালো জঙ্গলের মধ্যে থেকে ঝুলতে থাকা পুরুষাঙ্গে স্থির হয়ে থাকে।
সারদা অবাক বিস্ময়ে মেহমুদকে দেখে আর ভাবতে থাকে এ কি মানুষ, না কি মানুষরূপী অসুর।
দুর্গাপূজায় সে অসুরের মূর্তিও দেখেছে এইরকমই, শুধু দাঁড়িটা না থাকলেই একেও অসুর বলে মনে হতো।
অসুরের কাপড় পড়া অবস্থায় দেখাতে এর সাথে অসুরের লিঙ্গের তুলনা করতে পারছে না। অদ্ভুত ও বিশাল এই লিঙ্গের তুলনা সে তাঁর মৃত স্বামী স্বর্গীয় রামলাল চক্কোত্তি মহাশয়ের লিঙ্গের সাথে করতে গিয়ে বুঝে তাঁর স্বামীর লিঙ্গ ছিলো এর চার ভাগের এক ভাগ।
মানুষের লিঙ্গ কখনো এতো বড় হতে পারে সে এর লিঙ্গ না দেখলে বিশ্বাসই করতো না। আর এর লিঙ্গমুণ্ড অদ্ভুত ও ছালহীন কেনো? এইসব উল্টোপাল্টা ভাবতে ভাবতে তাঁর যোনির ভেতরে যেন কোনোও পোকা হটাত করে কামড়ে দেয় আর সে বাস্তবে ফিরে আসে।
মেহমুদ আস্তে আস্তে তাঁর শিকারের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন।
মেহমুদ এগিয়ে এসে সারদাকে টেনে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরলেন। আর সারদাও তাঁর বিশাল লোমশ ছাতির মধ্যে মুখ গুঁজে আদুরে বেড়ালের মতো চুপচাপ পড়ে রইলো।
মেহমুদ অবাক হলেন সারদার কাছ থেকে কোনোও ধরনের বাধা না পেয়ে।
আস্তে আস্তে তিনি সারদাকে বুকে জড়িয়ে রেখেই শাড়ীর উপর দিয়েই সারদার ভীষণ নরম আর কচি পুরো শরীরটা হাতড়েই বুঝতে পারলেন এই নারীই তাঁকে পুরো যৌন আনন্দ দিতে পারে।
সারদা তাঁর ঠোঁট মেহমুদের পুরুষালি স্তনের বোঁটায় ঘষতেই মেহমুদ চমকে উঠলেন, এই নারীই হয়তো তাঁকে এই খেলায় জীবনের প্রথম হারিয়ে দিতে পারে।
সারদা তাঁর বাম হাত নীচে নামিয়ে মেহমুদের লিঙ্গের উপর রাখলো।
সারদা তাঁর বাম হাতে মেহমুদের লিঙ্গখানা ঘষে ঘষে হাতিয়ে মেহমুদকে উত্তেজিত করতে থাকে, সাথে সাথে মেহমুদের পুরুষালি স্তনের বোঁটা ঠোঁটের মধ্যে নিয়ে চুষতে থাকে।
মেহমুদ অত্যন্ত উত্তেজনাবশতঃ বামহাতে সারদার নরম লদলদে পাছা আর ডানহাতে সারদার বাম স্তনখানা খুব জোরে জোরে মর্দন করে লাল করে ফেললেন।
সারদা মেহমুদের বুক থেকে মুখ তুলে মেহমুদের মুখের সামনে তাঁর সুন্দর কচি মুখখানি তুলে ধরে।
মেহমুদ তাঁর সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়ে সারদার ঠোঁট দুইটা মুখে পুরে খুব জোরে জোরে চুষে চললেন।
সারদার হাতের মধ্যে মেহমুদের লিঙ্গ ভীমকায় আকার ধারণ করতে আরম্ভ করেছে।
ওইদিকে লর্ড সরিতাদেবীকে ভীষণভাবে কাঁপিয়ে প্রচণ্ড জোরে জোরে কোমর নাড়িয়ে যোনিমন্থন করে চলেছেন।
লর্ডের বিরামহীন ধাক্কায় সরিতাদেবী আঃ উঃ করতে করতে দুইহাতে লর্ডকে আঁকড়ে ধরে রয়েছেন আর দুই পা দিয়ে কোমর পেঁচিয়ে রেখেছেন, যেন লর্ড কোনোও অবস্থায় তাঁর থেকে দূরে যেতে না পারেন।
লর্ডের প্রাণঘাতী ধাক্কার ফলে তাঁর পায়ের নুপুর ঝম ঝম করে বেজে উঠছে আর হাতের চুড়িগুলো একে অপরের সাথে ধাক্কাধাক্কি করে টুং টাং আওয়াজ বের করছে, যেন এঁরা আনন্দধ্বনি দিচ্ছে।
মেহমুদ প্রচণ্ড জোরে জোরে সারদার ঠোঁট চুষে জিভ চুষে সারদাকে যেন রসহীন করে ফেলতে চাইছেন, সারদাও তাঁর সঙ্গ দিচ্ছে। মেহমুদ আর নিজেকে সংযত রাখতে পারছেন না, সারদাকে দুই হাতে কোলে তুলে নিলেন আর শয্যায় ফেলে ইচ্ছেমতো ভোগ করতে শয্যার দিকে অগ্রসর হলেন।
কামপাগল মেহমুদ ভুলেই গেলেন যে শয্যায় অচেতন সাবিত্রী সম্পূর্ণ নগ্নাবস্থায় পড়ে রয়েছে।
সারদাকে শয্যায় নিয়ে শুইয়ে দিতেই সারদার চক্ষু ছানাবড়া হয়ে গেলো। এ কি দৃশ্য তাঁর সম্মুখে? সাবিত্রীদি সম্পূর্ণ উলঙ্গ হয়ে শুয়ে আছে মেহমুদের শয্যায়, তারমানে সাবিত্রীদি মেহমুদের সাথে ইতিপূর্বেই মৈথুন ক্রিয়া সমাপ্ত করে আরামে নিদ্রামগ্ন হয়ে নিশ্চিন্তে শুয়ে রয়েছে। আর তারমানে বড় মালকিনকে ওই ইংরেজটাই ভোগ করছে ব্রজবাবুর শয়নকক্ষে।
সে অবশ্য এর থেকে বেশী আর কিছু ভাবার অবকাশ পায় নি।
মেহমুদ তাঁর উপর চড়াও হলেন, টেনে হিঁচড়ে তাঁর একমাত্র আবরণটাকে আলগা করে দিলেন সারদার শরীর থেকে।
দুটি নগ্নদেহ এক হয়ে গেলো, মেহমুদ ডানহাতে তাঁর প্রকাণ্ড লিঙ্গখানাকে সারদার রসালো যোনিমুখে স্থাপন করে বামহাতে সারদার কাঁধ চেপে ধরে কোমরের চাপ বাড়াতে বাড়াতে কিছুটা প্রবেশ করাতে পেরে ডানহাত সরিয়ে নিলেন, আর শুরু হলো প্রচণ্ড ঠেলা।
মেহমুদের ঠেলায় সারদার প্রাণ ওষ্ঠাগত। কিছুতেই ওই সঙ্কীর্ণ যোনিপথে মেহমুদ আর এগোতে পারছেন না। কিন্তু তিনি হাল ছেড়ে দেওয়ার পাত্র কখনো নন। অতঃপর বিরামহীন চেষ্টা চলতেই থাকলো বেশ কিছুক্ষণ।
মেহমুদের আপ্রাণ চেষ্টার ফলে অবশেষে অর্ধেক লিঙ্গ স্থান পেলো সারদার যোনিতে। আর কে পায় মেহমুদকে, ক্রমশঃ গেঁথে গেঁথে চললেন তাঁর অশ্বলিঙ্গ সারদার ছোট্ট যোনিতে।
ওইদিকে লর্ড বুঝতে পারলেন তাঁর বীর্যস্খলনের কাল প্রায় আসন্ন, তিনি সরিতাদেবীর বুকে শুয়ে তাঁর লিঙ্গ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে চালনা করতে লাগলেন সরিতাদেবীর যোনির মধ্যে। সরিতাদেবী এরই মধ্যে একবার রাগরস মোচন করে পরম সুখে আছন্ন হয়ে লর্ডের সমস্ত প্রাণঘাতী ধাক্কা উপভোগ করছেন বিনা বাধায়।
সরিতাদেবীকে কঠোরভাবে আঁকড়ে ধরে লর্ড তাঁর লিঙ্গ আমুল প্রোথিত করে সরিতাদেবীর যোনির একদম অভ্যন্তরে থাকা জরায়ুর ভেতরে প্রচুর পরিমাণে বীর্যপাত করতে শুরু করতেই সরিতাদেবীও চরম পুলকে আবার রাগরস ছেড়ে দিলেন।
ক্লান্ত লর্ড সরিতাদেবীর বুকে নিস্তেজ হয়ে ঢলে পড়লেন। আর সরিতাদেবী পরম মমতায় তাঁর চুলে আর পিঠে হাত বুলিয়ে তাঁকে আদর করতে থাকেন।
প্রচণ্ড উত্তেজনায় সারদাকে নীচে ফেলে মেহমুদ ক্রমশঃ ধাক্কার পর ধাক্কা লাগিয়েই চললেন। তাঁর বিশালাকার দেহের তলায় ছোট্ট আকারের সারদা পিষ্ট হয়ে পড়ে থেকে তাঁর প্রাণঘাতী ধাক্কা সামলাচ্ছে।
ধীরে ধীরে মেহমুদের সম্পূর্ণ অশ্বলিঙ্গ সারদার যোনির ভেতর জায়গা করে নিলো। ফলে তাঁদের যৌনাঙ্গের কেশও মিলিত হয়ে ঘর্ষণ করছে একে অপরকে। এতে দুজনেরই খুব সুখানুভূতি হচ্ছে।
এইভাবে সুদীর্ঘ রমণের ফলে দুজনের যৌনাঙ্গের গোঁড়ায় প্রচুর পরিমাণে সাদা সাদা রস জমা হয়ে তাঁদের আনন্দের জানান দিচ্ছে।
সারদা এতো সুখ সহ্য করতে না পেরে তাঁর রাগরস ছেড়ে দেয়, ফলে তাঁর যোনি আরোও পিচ্ছিল হয়ে মেহমুদের প্রকাণ্ড লিঙ্গের যাতায়াতের পথ সুগম করে দেয়।
মেহমুদ এতে আরোও জোরে জোরে কোমরচালনা করতে শুরু করলে সমস্ত কক্ষ শুধু পচাত পচাত, পক পকাত জাতীয় শব্দে মুখরিত হয়ে উঠলো।
একসময় মেহমুদের বীর্য সারদার জরায়ুতে পতিত হতে থাকে। সারদা মেহমুদের গরম বীর্যের অনুভব নিজের যোনির ভেতর পেয়ে পরম সুখে প্রচুর পরিমাণে রাগরস ছাড়তে থাকে।
সারদা সারাজীবনে এইরকম সুখের আস্বাদ কখনোও পায় নি। সে মেহমুদকে তাঁর দেহের সাথে জড়িয়ে ধরে পড়ে রইলো।
পর পর দুই নারীকে সম্ভোগ করে মেহমুদের অবস্থা কাহিল হয়ে পড়েছে। এতক্ষণ চরম উত্তেজনার কারণে তিনি সারদাকে ভোগ করার বাসনায় মত্ত ছিলেন কিন্তু দ্বিতীয়বার বীর্যপাত করার পর তাঁর নিজেকে খুব ক্লান্ত মনে হতে লাগলো।
মেহমুদ সারদার বুক থেকে উঠে শয্যায় গা এলিয়ে দিলেন আর জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিতে নিতে চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম নিতে লাগলেন।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s